জেড ক্যাটাগরির ২২টি কোম্পানিকে শুনানিতে ডেকেছে বিএসইসি

29

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ‘জেড’ ক্যাটাগরির ২২টি কোম্পানিকে শুনানিতে ডেকেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসি কোম্পানিগুলোর কর্মক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের ব্যবসায়ের কৌশল ও সম্পর্কিত যথাযথ কর্মপরিকল্পনাসহ প্রস্তাব জমা দিতে বলেছিল।

কোম্পানিগুলো হলো- শ্যামপুর সুগার, ঝিলবাংলা, আল-হাজ্ব টেক্সটাইল, অ্যারামিট সিমেন্ট, বাংলাদেশ সার্ভিস, বীচ হ্যাচারি, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স, ডেল্টা স্পিনার্স, দুলামিয়া কটন, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জেনারেশন নেক্সট, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, ইমাম বাটন, কেয়া কসমেটিকস, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, সাভার রিফ্যাক্টরিজ, শাইনপুকুর সিরামিকস, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, তাল্লু স্পিনিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল এবং উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড।

আজ বৃহস্পতিবার ৪২টি জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির মধ্যে ২২ টিকে চিঠি দিয়ে কমিশন শুনানিতে অংশ নিতে বলেছে।

এ বিষয়ে বিএসইসির এক কর্মকর্তা শেয়ারবাজার নিউজকে জানান, কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে যা সাধারণ নয়। এজন্য বিএসইসি পৃথকভাবে এগুলো সমাধান করার চেষ্টা করছে। বিএসইসি প্রতিটি কোম্পানির পরিচালনায় সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করতে চায়। এটি তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে এবং সেগুলো কীভাবে সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করবে।

বিএসইসি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সাম্প্রতিক বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন, সমস্ত সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা, শেয়ারহোল্ডিংয়ের অবস্থান, দায়, ইনভেন্টরিগুলো এবং কর / ভ্যাট রিটার্নের বিশদ সম্পর্কিত কিছু দলিলও চেয়েছিল।

সম্প্রতি, জেড ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোকে ভালো অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে বিএসইসি ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছিল।

যদি কোনও কোম্পানি টানা দুই বছর নগদ লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হয় তবে তা জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে। টানা দুই বছর ধরে এজিএম (বার্ষিক সাধারণ সভা) পরিচালনা করতে ব্যর্থ হওয়া বা ছয় মাস ধরে অপারেশন থেকে দূরে থাকা কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রেও এটি একই প্রযোজ্য।

এছাড়া কোম্পানি সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘন করলে কমিশনের অনুমোদন নিয়ে যে কোনও কোম্পানিকে জেড ক্যাটাগরিতে প্রেরণ করতে পারে স্টক এক্সচেঞ্জগুলো।