জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির এজিএম ও ইজিএম সভায় ই-ভোটিং বাধ্যতামূলক

17

শেয়ারবাজারে সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তালিকাভুক্ত ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাদের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) ইলেকট্রনিক ভোটিং (ই-ভোটিং) বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। তবে তালিকাভুক্ত অন্যান্য ক্যাটাগরির কোম্পানির জন্য ই-ভোটিংয়ের বিষয়টি ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে।

জানা যায়, ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম ) বিভিন্ন এজেন্ডা অনুমোদনের ক্ষেত্রে সম্মতি জানাতে অনলাইনে ই-ভোটিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। বিনিয়োগকারীরা কোম্পানিগুলোর এজিএম এবং ইজিএম সম্পর্কিত এজেন্ডায় অনলাইনে ভোট দিতে পারবেন।

কোনও বিনিয়োগকারীর যদি রেকর্ড ডেটের এবং এজিএমে ভোট দেওয়ার আগ পর্যন্ত কোনও কোম্পানির ১০০টি শেয়ার থাকে, তবে এটির জন্য তার ১০০টি ভোট গণনা করা হবে।

প্রতিটি কোম্পানিকে নির্ধারিত সভার কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে তার ওয়েবসাইটে এজেন্ডাসহ একটি ই-ভোটিং প্ল্যাটফর্ম আপলোড করতে হবে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসইসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শেয়ারবাজার নিউজকে বলেন, বাজারকে ডিজিটালাইজড করার চেষ্টা চলছে। নতুন কমিশন আসার পর থেকে এ ডিজিটালাইজেশনের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ই-ভোটিং একটি। প্রথম পর্যায়ে কেবল ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানির জন্যই ই-ভোটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে শেয়ারহোল্ডার মিটিং করা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরবর্তীতে অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও এ পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা হবে।

বিএসইসি মনে করে, ই-ভোটিং পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা হলে ‘জেড’ ক্যাটাগরির দুর্বল কোম্পানিগুলো তাদের পক্ষে এজেন্ডা পাস করতে এজিএমকে প্রভাবিত করতে পারবে না। ফলে বছরের পর বছর ওই কোম্পানির পরিচালকরা একই পদে বহাল থাকতে পারবেন না। এতে ওই কোম্পানিতে ভালো মানের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের সুযোগ পাবেন বিনিয়োগকারীরা।