এবার প্রণোদনা চাইলো সিএসই

17

বৈশ্বিক মহামারি (কোভিড ১৯) করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারেজ হাউজগুলোর জন্য সরকারের কাছে ১ হাজার ৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ প্রস্তাব করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সিএসই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ এর প্রভাবে বাংলাদেশসহ বিশ্ব এখন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে। এরই ধারাবাহিকতায় সরকার ২৬ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। বিশ্বের অনেক দেশের সরকার সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছে। প্রতিটি দেশের মানুষকে ঘরে থাকতে এবং বাইরে না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। এ মুহূর্তে সমসাময়িক বিশ্বায়ন, বিশ্ব অর্থনীতি একটি গভীর মন্দার পথে চলছে। আমরা তাদের ব্যতিক্রম নই। দেশের রফতানি ও বৈদেশিক রেমিট্যান্স হ্রাস পাওয়ায় এবং দেশের অর্থনীতি অনিবার্যভাবে একটি ঘন ধাক্কার সম্মুখীন হতে চলেছে। পাশাপাশি দেশীয় উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মধ্যে রয়েছে।

এদিকে দেশে মহামারি ও লকডাউনের কারণে ভয়াবহ সংকটের সময়ে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারদের জন্য মোট ১ হাজার ৫০ কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ প্রস্তাব করেছে সিএসই।

সিএসইর প্রস্তাবিত প্রণোদনা প্যাকেজটি হলো- মার্জিন ঋণের সুদে ভর্তুকি ৪০০ কোটি টাকা, ব্রোকারের অফিস ব্যয়ে ভর্তুকি ৮০ কোটি টাকা, সিএসই’র কর্পোরেট কর প্রদানের উৎসাহে ২০ কোটি টাকা, বিও অ্যাকাউন্ট নবায়ন ফি মওকুফ ৫০ কোটি টাকা এবং সিএসই ব্রোকারদের জন্য বিশেষ ঋণ ৫০০ কোটি টাকা। সর্বমোট ১ হাজার ৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে।